কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ১১:৩৮ AM
কন্টেন্ট: পাতা
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, মিঠাপুকুর, রংপুর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর শাখা অফিস। বাংলাদেশের জনমিতি, স্বাস্থ্য , শিল্প ও শ্রম, জাতীয় হিসাব, মূল্য ও মজুরি, শিল্প উৎপাদন ও মূল্য সূচক, দারিদ্র্য, পরিবেশগত, জেন্ডার এবং কৃষি বিষয়ক পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা এবং তথ্য পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কে সরবরাহ করা। এটি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন ধরনের শুমারী ও জরিপ কার্যক্রম চালায় ।
২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মহান জাতীয় সংসদে পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ পাশ হওয়ার মাধ্যমে জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় বিবিএসকে জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা (NSO) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানসম্মত ও হালনাগাদ পরিসংখ্যান সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিবিএস আন্তর্জাতিক নির্দেশনা অনুসরণ করে স্বাস্থ্য ও জনমিতি, শিল্প ও শ্রম, জাতীয় হিসাব, মূল্য ও মজুরি, শিল্প উৎপাদন ও মূল্য সূচক, দারিদ্র্য, পরিবেশগত, জেন্ডার এবং কৃষি বিষয়ক পরিসংখ্যান নিয়মিতভাবে প্রস্তুত ও প্রকাশ করে থাকে। বিবিএস কর্তৃক প্রস্তুতকৃত, অনুমোদন ও সরবরাহকৃত পরিসংখ্যান ব্যবহার করে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রণীত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP), পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রভৃতি প্রণয়ন ও পরিবীক্ষণ করা হয়।
বিবিএসসহ অন্যান্য দপ্তরের তথ্য একই প্ল্যাটফর্মে প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে বিবিএস-এর এসডিজি সেল এটুআই প্রোগ্রামের তথ্য- প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় এসডিজি রিপোর্টিং সংক্রান্ত জাতীয় অনলাইন বাতায়ন 'এসডিজি ট্র্যাকার' (SDG Tracker) ব্যবস্থাপনা এবং এসডিজি অর্জনের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিবীক্ষণ করে থাকে।
১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট পূর্ববর্তী বৃহত্তর চারটি পরিসংখ্যান সংস্থার (পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি শুমারি কমিশন এবং আদমশুমারি কমিশন) অবলুপ্তি ঘটিয়ে "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো" প্রতিষ্ঠা করা হয়।
জুলাই, ১৯৭৫ সালে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিসংখ্যান বিভাগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে পরিসংখ্যান বিভাগকে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ রূপান্তর করা হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বর্তমানে এই বিভাগের অধীনে কাজ করছে।
এটির সদরদপ্তর ঢাকা। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ২৩টি আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অফিস, ৪৮৯টি উপজেলা/থানা অফিস ছিল। বর্তমানে ৮টি বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিস (ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ), ৬৪টি জেলা পরিসংখ্যান অফিস এবং ৪৮৯টি উপজেলা অফিস রয়েছে। ২০১৩ সালে আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিলুপ্ত করা হয়।