কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১২:১৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নিয়মিতভাবে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন জরিপ ও শুমারি পরিচালনা করে থাকে। মিঠাপুকুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত প্রধান কার্যক্রমগুলো নিম্নরূপঃ
কৃষি শুমারি ২০১৯
প্রতি ১০ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ শুমারির মাধ্যমে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষি খাত সম্পর্কে সামগ্রিক ধারণা পাওয়া যায়।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
প্রতি ১০ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই শুমারির মাধ্যমে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ও গৃহের সংখ্যা নিরূপণ করা হয়।
মা ও শিশুর পুষ্টি জরিপ
এ জরিপের মাধ্যমে মা ও শিশুর জীবনমান এবং তাদের পুষ্টি গ্রহণের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যায়।
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪
প্রতি ১০ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ শুমারির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম, জীবনধারা ও জীবনমান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
বস্তি শুমারি
এ জরিপের মাধ্যমে বস্তিবাসীর জীবনমান ও অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ জরিপ
এ জরিপের মাধ্যমে রংপুর জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক জরিপ
এর মাধ্যমে রংপুর জেলায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অবস্থা নিরূপণ করা হয়।
নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ
এ জরিপের মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্য এবং তাদের মতামতের মূল্যায়ন সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যায়।
খানার আয়-ব্যয় জরিপ ২০২২
এর মাধ্যমে পরিবারের আয়, ব্যয় এবং খাদ্য গ্রহণের ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইস (২০১৭)
প্রথমবারের মতো গৃহভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে শুরু হয় এ কাজ। রংপুর জেলায় এ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
এসভিআরএস প্রকল্প
এ প্রকল্পের মাধ্যমে জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ, তালাক, আগমন, বহির্গমন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ও প্রতিবন্ধী সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়, যা জেলার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে।
ফসল উৎপাদন তথ্য সংগ্রহ
মিঠাপুকুর উপজেলায় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের মাধ্যমে ৬টি প্রধান ও ১২৬টি অপ্রধান ফসলের তথ্য সংগ্রহ করে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এর মাধ্যমে জেলার মোট ফসল উৎপাদন পরিমাণ জানা যায়।